আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি গেমারের জন্য একটা নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় গেমিং অভিজ্ঞতা থাকা উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই e777-এর জন্ম।
২০১৯ সালের কথা। বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং বাজার তখনও অপরিপক্ক। যারা ক্রিকেট বা ফুটবলে বেট করতে চাইতেন, তাদের ভরসা করতে হতো বিদেশি প্ল্যাটফর্মের উপর — যেগুলোতে বাংলায় সাপোর্ট নেই, বিকাশে পেমেন্ট নেই, আর বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরিও নয়।
তখন একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও ক্রীড়া বিশেষজ্ঞ মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন — এমন একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবেন যেটা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের মানুষের জন্য। সেই স্বপ্ন থেকেই জন্ম হলো e777-এর।
শুরুতে শুধু ক্রিকেট বেটিং দিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল। কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ জুড়ে হাজার হাজার মানুষ e777-এর নিরাপদ পেমেন্ট ব্যবস্থা ও দ্রুত উইথড্রয়ের কারণে ভালোবেসে ফেললেন এই প্ল্যাটফর্মকে। এরপর একের পর এক নতুন গেম, নতুন সুবিধা যোগ হতে থাকল।
আজ e777 বাংলাদেশের ৬৪ জেলার লক্ষাধিক মানুষের বিশ্বাসের নাম। ক্রিকেট থেকে লাইভ ক্যাসিনো, রামি থেকে স্লট — সব এক জায়গায়। আর প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের লক্ষ্য একটাই — আপনার গেমিং অভিজ্ঞতাকে নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দময় করা।
e777 শুধু একটা বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা একটা দর্শন, একটা প্রতিশ্রুতি
e777-এর মিশন হলো বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে একটা নিরাপদ, ন্যায্য ও আনন্দময় গেমিং পরিবেশ দেওয়া। ঢাকা বা চট্টগ্রামের শহুরে মানুষ থেকে শুরু করে রাজশাহী বা সিলেটের মফস্বলের মানুষ — সবার জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য।
আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই বিশ্বাসের ভিত্তি। তাই প্রতিটি গেমের RTP প্রকাশ করি, প্রতিটি পেমেন্ট ট্র্যাক করা যায় এবং কোনো লুকানো চার্জ নেই।
e777-এর ভিশন শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয়। আমরা স্বপ্ন দেখি দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিটি দেশে বাংলাদেশি প্রযুক্তির প্রতিনিধিত্ব করার। আমাদের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ লক্ষ সক্রিয় সদস্য এবং ১,০০০+ গেমের পোর্টফোলিও তৈরি করা।
প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা AI-চালিত বেটিং বিশ্লেষণ, আরো দ্রুত পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং পূর্ণাঙ্গ বাংলা ভাষা সমর্থন নিয়ে আসতে চাই।
ছয়টি কারণ কেন e777 বাংলাদেশের এক নম্বর বেটিং প্ল্যাটফর্ম
e777-এর পেছনে আছেন একদল নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার, যারা বাংলাদেশের গেমিং শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছেন
e777 শুধু একটা ওয়েবসাইট নয়, এটা বাংলাদেশের অনলাইন গেমিং শিল্পে একটা বিপ্লব। যখন এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছিল, তখন বাজারে এমন কোনো জায়গা ছিল না যেখানে বাংলাদেশের মানুষ নিজের ভাষায়, নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে, নিরাপদে বেটিং উপভোগ করতে পারেন। সেই শূন্যতাটা পূরণ করাই ছিল e777-এর প্রথম এবং প্রধান উদ্দেশ্য।
আজ যখন সারাদেশে ৬ লক্ষেরও বেশি মানুষ প্রতিদিন e777 ব্যবহার করেন, তখন মনে হয় লক্ষ্যটা পূরণ হয়েছে। কিন্তু আমরা থামিনি। কারণ আমরা জানি আমাদের সদস্যরা আরো ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য। তাই প্রতিদিন আমরা প্ল্যাটফর্ম উন্নত করছি, নতুন গেম যোগ করছি, সাপোর্ট ব্যবস্থা শক্তিশালী করছি।
বাংলাদেশের গেমিং সংস্কৃতি বুঝতে e777 অনেক সময় দিয়েছে। ক্রিকেট এই দেশে শুধু খেলা নয়, এটা আবেগ। ঈদের আনন্দে রামি খেলা পারিবারিক ঐতিহ্য। BPL মৌসুমে বন্ধুদের সাথে বেট রাখার উত্তেজনা। এই সব কিছুকে সম্মান করে e777 তার গেম পোর্টফোলিও সাজিয়েছে।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে e777-এর অবস্থান স্পষ্ট। আমরা কখনো চাই না যে কোনো সদস্য গেমিংয়ের কারণে আর্থিক বা মানসিক ক্ষতির মুখে পড়ুন। তাই আমরা প্রতিটি সদস্যকে ব্যয়সীমা নির্ধারণের সুযোগ দিই, স্ব-বর্জন ব্যবস্থা রেখেছি এবং সচেতনতামূলক তথ্য সবসময় প্রদর্শন করি।
আমাদের প্রযুক্তি দল দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে যাতে e777-এর সার্ভার ৯৯.৯% সময় চালু থাকে। ক্রিকেট বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্টে যখন লক্ষাধিক মানুষ একসাথে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন, তখনও কোনো সমস্যা হয় না। এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের ক্লাউড অবকাঠামো ও অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারিং দলের কারণে।
e777-এর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও আশাব্যঞ্জক। AI-চালিত বেটিং সহায়তা, আরো বেশি স্থানীয় গেম, মোবাইল অ্যাপের উন্নত সংস্করণ এবং নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি — সব কিছু নিয়ে কাজ চলছে। আমরা আমাদের সদস্যদের কথা মাথায় রেখেই প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিই।
পরিশেষে, e777-কে যা এগিয়ে নিয়ে চলেছে তা হলো মানুষের ভালোবাসা। রাজশাহীর রফিক ভাই যখন বলেন "বিকাশে এত তাড়াতাড়ি টাকা পাই, মনে হয় নিজেদের মানুষ", বা সিলেটের মিম আপা যখন বলেন "বাংলায় সাপোর্ট পাই, সব বুঝতে পারি" — এই কথাগুলোই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
বাংলাদেশের সেরা বেটিং প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন আজই। প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান এবং ৫০০+ গেমের অ্যাক্সেস পান সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
১৮+ বছর বয়স্কদের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।